বাংলাদেশের জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল
শনিবার , ১৬ আগস্ট ২০২৫ | ২১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. উত্তরবঙ্গ
  6. কৃষি
  7. খেলাধুলা
  8. জাতীয়
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. দুর্ঘটনা
  11. দুর্নীতি অনুসন্ধান
  12. ফটো গ্যালারি
  13. বাণিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বুলেটিন স্পেশাল

প্রশাসন ম্যানেজ করে রাতভর জুয়া-মাদক, সংসার ভাঙছে একের পর এক পরিবারের

প্রতিবেদক
agamirbangladesh.com
আগস্ট ১৬, ২০২৫ ১১:৩০ অপরাহ্ণ

মোঃ সাকিবুল ইসলাম স্বাধীন, রাজশাহী: রাজশাহী নগরীর কাশিয়াডাঙ্গা থানার চারকোঠার মোড় রেল ক্রসিং সংলগ্ন এলাকায় প্রকাশ্যে চলছে জুয়ার বোর্ড। এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রশাসনের মাসোয়ারা দিয়েই এ বোর্ড চালিয়ে যাচ্ছে প্রভাবশালী মহল। প্রতি মাসে বা সপ্তাহে টাকা না দিলে অভিযান চালিয়ে সাময়িক বন্ধ করে দেয়া হয়, আবার মাসোয়ারা পৌঁছালেই নতুন করে চালু হয়ে যায়—একেবারে প্রিপেইড সিমের মতই।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চারকোঠার মোড়ের রকির নেতৃত্বে দীর্ঘদিন ধরে এ বোর্ড পরিচালিত হচ্ছে। এলাকাবাসীর দাবি, বোর্ডের জায়গাটি সাবেক যুবলীগ নেতা নাহানের । ৫ আগস্টের হত্যা মামলা সহ একাধিক মামলার আসামি নাহান বর্তমানে আত্মগোপনে আছেন। তার বৈধ-অবৈধ সব ব্যবসা এখন রকি ও তার দলবল দেখভাল করছে।

অভিযোগ রয়েছে, আগে আওয়ামী লীগের ছায়ায় রকি জুয়া বোর্ড ও মাদক সিন্ডিকেট চালাতেন, আর ৫ আগস্টের ঘটনার পর তিনি বড় বিএনপির নেতা হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন। নাহানের বৈধ-অবৈধ ব্যবসা থেকে আসা অর্থ দিয়ে বিএনপির বিভিন্ন কর্মসূচির খরচ বহন করছে রকি।

 

এলাকাবাসী জানায়, রাত ১১টার পর থেকে ভোর পর্যন্ত চলে রমরমা জুয়া খেলা ও মাদক সেবন। এতে অনেক পরিবার নিঃস্ব হচ্ছে, সংসার ভাঙছে, অনেকে ঋণের বোঝায় জর্জরিত হয়ে পড়ছে, চুরি- ছিনতাই বাড়ছে।

 

স্থানীয় পাঠার মোড় এলাকার গৃহবধূ নাসিমা বলেন, আমার স্বামী অন্যের ব্যাটারি চালিত অটো চালিয়ে সংসার চালাতো। অভাব থাকলেও আমরা ভালোই ছিলাম। কিন্তু বন্ধুর সঙ্গ থেকে জুয়ার বোর্ডে জড়িয়ে পড়ার পর অটো বন্ধক রেখে সব টাকা হারিয়েছে। পরে আমার স্বামী নিজের শরীরে নিজে আঘাত করে অটোর মালিকের কাছে ছিনতাইয়ের নাটক সাজিয়েছিল। সেই অটো ছিনতাইয়ের অভিযোগে পুলিশ সব উদঘাটন করে তাকে গ্রেপ্তার করেছে। এখন সংসার চালানোর জন্য আমাকে মানুষের বাসায় কাজ করতে হচ্ছে।

 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে রকি সাংবাদিকদের নিকট প্রথমে সবকিছু অস্বীকার করলেও যুবলীগ নেতা নাহানের সাথে জড়িত থাকার ও ব্যবসার বিষয়ে প্রশ্ন করায় বলেন, আমি সব সময় ডিবি অফিস আর বিএনপির বড় নেতাদের সঙ্গে চলাফেরা করি। তাদের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো, কিছু খরচ দিলেই সব ঠিক থাকে। আর ৫ আগষ্টের পর পুলিশের দাম নেই, তারা ভয়ে বের হয় না। আর ওই জায়গায় কোনো জুয়া খেলা বা মাদক সেবন হয় না। তাছাড়া এটা বোর্ড না আমাদের ক্লাব, দলের কর্মীরা আড্ডা দেয়, সময় কাটায়। সময় পার করতে কখনও হাজারি খেলার জন্য তাশ নিয়ে বসে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে কাশিয়াডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, আমাদের জানা মতে ওই এলাকায় কোনো জুয়া বোর্ড নেই। যদি কোথাও এমন কার্যকলাপ চলে থাকে, সেটি অবৈধ। আমরা খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

সর্বশেষ - বিনোদন

আপনার জন্য নির্বাচিত

রাজশাহীতে জাঁকজমক ভাবে শারদীয় উৎসব শুরু 

রাজশাহী টেলিভিশন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের নতুন কমিটি  গঠন সম্পন্ন হল

মুখোশ বদলালেও চরিত্র বদলায়নি: রাজশাহীর সুবিধাভোগী সাংবাদিকদের নগ্ন রূপ

স্বদেশ বাণী’র ৮ম বর্ষপূর্তি ও ৯ম বর্ষে পদার্পণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

দুর্গাপুরে স্টাম্প জালিয়াতি করে পুকুর দখলের অভিযোগ,কে এই রেজাউল

আরইউজে নির্বাচনে টানা দ্বিতীয়বার সভাপতি আব্দুল আউয়াল

‘পিটাইয়া গাড়ি ভাঙা উচিত’—রাজশাহীতে সার্জেন্টের মন্তব্যে ক্ষোভ

রাজশাহীতে ১০ দাবিতে ক্রিকেটারদের মানববন্ধন

মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা বাবার স্বপ্ন পুরণ করতেই উপজেলা চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে চাই—-শরিফুজ্জামান প্রধান পল্লব

রাজশাহী দুর্গাপুরে অদৃশ্য কারণে পুকুরের মাছ মরে শেষ